ফাইন আর্ট কোর্স
ফাইন আর্ট কি

চারুকলা বা ললিতকলা (ইংরেজি: Fine Arts) বলতে শিল্পকলার বেশ কিছু ধারার একটি দলকে বোঝায়, যার মধ্যে অঙ্কন, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, সঙ্গীত, কাব্য, মঞ্চনাটক, নৃত্য, আবৃত্তি ও অভিনয় অন্তর্ভুক্ত।[১] বর্তমানে, ললিতকলায় সাধারণভাবে চলচ্চিত্র, ফটোগ্রাফি, ধারণাগত শিল্প, ও প্রিন্টমেকিং যুক্ত হয়।
ভর্তি বিবরণ
📚 ফাইন আর্ট (শিল্প ও চারুকলা)➡️(১ বছর মেয়াদী কোর্স)
বাংলাদেশে সাধারণত ১ বছর মেয়াদী চারুকলা কোর্সটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB)-এর অধীনে “অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফাইন আর্টস” (Advanced Certificate Course in Fine Arts) নামে পরিচিত। এই কোর্সটি মূলত মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করা শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিল্পকলায় দক্ষ করতে এবং বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে “শিল্প ও সংস্কৃতি” বিষয়ের শিক্ষক পদের যোগ্য হতে সহায়তা করে।
ভর্তির যোগ্যতাঃ
সাধারণত স্বীকৃত বোর্ড থেকে স্নাতক/ডিগ্রি/ফাযিল বা সমমান পাস হতে হয়।
সুযোগ-সুবিধা ও ক্যারিয়ারঃ
শিক্ষকতা: এই কোর্সটি সম্পন্ন করলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও (MPO) নীতিমালা অনুযায়ী “সহকারী শিক্ষক (শিল্প ও সংস্কৃতি)” পদে আবেদনের সুযোগ পাওয়া যায়।
ফ্রিল্যান্সিং: গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং কমার্শিয়াল আর্টের মৌলিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্স কাজ করার সুযোগ থাকে।
ভর্তির সময়: বাংলাদেশে এই কোর্সের সেশন সাধারণত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হয়ে থাকে।
অঙ্কন বা রেখাঙ্কন
অঙ্কন বা রেখাঙ্কন বলতে এক ধরনের দৃশ্যকলাকে বোঝায় যেখানে শিল্পী বিবিধ উপকরণ ব্যবহার করে কাগজ বা অন্য কোনো দ্বিমাত্রিক মাধ্যমে রেখা বা দাগ টেনে চিত্র অঙ্কন করেন। অঙ্কন সামগ্রীর অন্তর্ভুক্ত উপকরণগুলি হল সিসার পেনসিল, কালি ও কলম, রং তুলি, মোম রংপেনসিল, রঙিন খড়ি, কাঠকয়লা, চক্ খড়ি, রংপেনসিল এবং নানা প্রকার রবার, মার্কার, লেখনী, নানাবিধ ধাতু (যেমন – সিলভারপয়েন্ট) ও বৈদ্যুতিন অঙ্কন।
একটি অঙ্কন সামগ্রী অতি সামান্য পরিমাণ উপাদান নিঃসরণের মাধ্যমে কোনো তলে একটি দৃশ্যমান দাগের সৃষ্টি করে। অতি সাধারণভাবে ব্যবহৃত মাধ্যমটি হল কাগজ, যদিও অন্যান্য নানা বস্তু যেমন কার্ডবোর্ড, প্লাস্টিক, চামড়া, ক্যানভাস, এবং বোর্ড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অস্থায়ী অঙ্কন ব্ল্যাকবোর্ড, হোয়াইট বোর্ড অথবা যে কোনো কিছুর উপর করা হয়ে থাকতে পারে। এটি মানবসভ্যতার ইতিহাসের আদ্যোপান্ত থেকেই গণ অভিব্যক্তি প্রকাশের একটি জনপ্রিয় ও মৌলিক মাধ্যম। এটি ধারণাকে দৃশ্যের দ্বারা স্ংযোগের একটি অতিসরল অথচ অত্যন্ত কার্যকরী মাধ্যম। অঙ্কন সামগ্রীর বিস্তৃত লভ্যতা একে অতিসাধারণ শৈল্পিক কার্যকলাপে পরিণত করেছে।
এর শৈল্পিক রূপের বিষয়ে আরও বলা যায় যে অঙ্কন প্রায়শই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয় চিত্রণ, অ্যানিমেশন, স্থাপত্য, যন্ত্রবিদ্যা ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে। একটি খালিহাতে কৃত অঙ্কন সাধারণত সম্পূর্ণ কার্য হিসেবে অভিপ্রেত নয় একে বলা হয়ে থাকে স্কেচ বা নকশা। প্রযুক্তিগত অঙ্কনে কার্যরত বা অভ্যস্ত শিল্পীকে বলা হয় খসড়াকার বা নকশাকার।